আমি কোন সুরটা গাইছি?
যেকোনো সুর গান বা বাজান আর সঙ্গে সঙ্গে দেখুন — নোটের নাম, Hz-এ তার ফ্রিকোয়েন্সি, আর ঠিক কত সেন্ট উপরে বা নিচে আছেন। ফ্রি, আপনার ব্রাউজারেই, কিছুই আপলোড হয় না।
– Hz
🔒 পুরো বিশ্লেষণ চলে আপনার ব্রাউজারেই — আপনার অডিও কখনও রেকর্ড বা আপলোড হয় না।
পিচ ডিটেক্টর কীভাবে ব্যবহার করবেন
1. মাইকের অনুমতি দিন
মাইক বোতামে ট্যাপ করে মাইক্রোফোনের অনুমতি দিন। শান্ত ঘরে সবচেয়ে পরিষ্কার রিডিং পাবেন।
2. একটা সুর ধরে রাখুন
স্থিরভাবে “আ” ধরুন বা একটা নোট বাজান। ছোট বা হাওয়া-মেশা সুর পড়া কঠিন।
3. মিটারটা পড়ুন
বড় করে লেখাটাই আপনার সুর। কাঁটা দেখায় সেন্ট — সবুজ ঘরের ভিতরে থাকলে আপনি সুরে আছেন।
রিডিংগুলোর মানে কী
এখানে নোটের নাম (যেমন A3 বা C#4) হলো স্ট্যান্ডার্ড টিউনিংয়ে (A4 = 440 Hz) সবচেয়ে কাছের সুর। ফ্রিকোয়েন্সি হলো আপনার গলা থেকে সত্যিই বেরোনো পিচ। সেন্ট মিটার দেখায় ঠিক সুর থেকে আপনি কতটা দূরে — এক সেন্ট মানে একটা সেমিটোনের 1/100, আর প্রায় ±10 সেন্টের মধ্যে থাকলে বেশির ভাগ শ্রোতার কানে সেটা “সুরেই” লাগে।
লম্বা সুর ধরে রাখার সময় কাঁটা যদি বারবার নিচের দিকে থাকে, সেটা সাধারণত কানের নয়, শ্বাসের জোরের সমস্যা — আমাদের শ্বাস নিয়ন্ত্রণের গাইড সেই সমাধানগুলোই বলে দেয়। গান গাওয়ার সময় সাধারণভাবে সুরে আছেন কি না বুঝতে না পারলে দেখে নিন “আমি কি সুরে গাইছি?” — অথবা করে ফেলুন পুরো ভোকাল রেঞ্জ টেস্ট — বুঝে নিন আপনার গলা ঠিক কোথায় বসে।
এক সুর থেকে গোটা কণ্ঠ পর্যন্ত
পিচ ডিটেক্টর একটামাত্র সুরের খবর দেয়। Singing Coach AI অ্যাপ শোনে আপনার গাওয়া গোটা গান আর সুরে সুরে মাপে আপনার সুরের নির্ভুলতা — সঙ্গে শ্বাস, টোন, টাইমিং আর আরও 22টি দিক — তারপর যা শুনেছে তা বুঝে রেওয়াজ ধরিয়ে দেয়। টিউনার আর কোচের তফাতটা ঠিক এখানেই।